Saturday, 29 October 2016
Sunday, 9 October 2016
Friday, 7 October 2016
Thursday, 6 October 2016
Wednesday, 5 October 2016
Monday, 3 October 2016
Sunday, 2 October 2016
নব রাত্রি সিদ্ধি দাত্রী
সিদ্ধ গন ধরব যক্ষ্মা দৈয়র সুরইর মরই রপি
সেব্য মানা সদা ভুয়াত সিদ্ধিদা সিদ্ধি দায়িনী
মাতা দুর্গার নবম শক্তি মা সিদ্ধি দাত্রী । সর্ব প্রকার সিদ্ধি প্রদান করে দেবী । দেবী পুরানে কথিত ভগবান শিব দেবীর কৃপায় সকল প্রকার সিদ্ধি লাভ করেন । এর অস্থকল্পে ভগবান শিবের অর্ধেক শরীর দেবীর হয়েছিল ।তাই তিনি অর্ধনারীশ্বর নামে প্রসিদ্ধ । যিনি পূর্ণ নিষ্ঠা নিয়ে যদি সাধনা তার সকল কামনা সিদ্ধ হয় ।
নব রাত্রি , দেবী মহা গৌরী
শ্বেতে বৃষে সমারুরা শ্বেতাম্বর ধরা শুচিঃ
মহাগৌরি শুভং দদ্যান্মহাদেব প্রমোদদা
মাতা দুর্গার অষ্টম শক্তি হলেন মহাগৌরি ,এর গায়ের রঙ গৌর , দেবীর বস্ত্র ও অলঙ্কার শ্বেত বর্ণের । দেবীর চার হাত । ইনি পার্বতী রুপে শিব কে পতি রুপে লাভ করার জন্য কঠোর তপস্যা করেন । এই তপস্যার ফলে দেবীর রুপ কালো হয়ে গিয়েছিল ।এর তপস্যা তে ভগবান শিব প্রসন্ন হয়ে তাকে গঙ্গার পবিত্র জলে যখন স্নান করালেন তখন তাঁর শরীর বিদ্যুৎ প্রভার ন্যায় গৌর বর্ণ হয়ে যায় তখন থেকে মায়ের নাম মহাগৌরী । মায়ের পুজার বিধান অষ্টমী তে । মায়ের কৃপা তে সাধক অলৌকিক সিদ্ধি লাভ হয় । মহাগৌরী ভক্তের কষ্ট দূর করেন । মানুষ সত্যের পথে পরিচালনা করেন ।
Saturday, 1 October 2016
নব রাত্রি , দেবী কাল রাত্রি
এক বেণী জপা বার্ন পুরা নগ্ন খরাস্থিতা
লম্ব শঠই কনিকা কর্নি তৈল ভ্যক্ত শারিরিনি
বাম পাদল্ল সল্লহ্লতা কণ্টক ভূষণা
বর্ধন মুরধ ধ্বজা কৃষ্ণা কাল রাত্রি ভয়ঙ্করী
দেবী দুর্গার সপ্তম রুপ কাল রাত্রি । কাল রাত্রির গায়ের রঙ অন্ধকারের মত কালো ,মাথার চুল এলোমেলো , গলায় বিদ্যুতের মালা । দেবী ত্রি নয়না । নাসিকার শ্বাস প্রশ্বাসে ভয়ংকর অগ্নি শিখা নির্গত হয় । মায়ের বাহন গদ্রভ । এক হাতে অভয় মুদ্রা অন্যহাতে লোহার কাঁটা । মা কাল রাত্রির ভয়ানক হলেও সর্বদা ইনি শুভ ফল দান করেন ।ইনি গ্রহ বাধা দূর করেন । ভক্ত রা এর কৃপায় ভয় মুক্ত হয় ।
নব রাত্রি , দেবী কাল রাত্রি
এক বেণী জপা বার্ন পুরা নগ্ন খরাস্থিতা
লম্ব শঠই কনিকা কর্নি তৈল ভ্যক্ত শারিরিনি
বাম পাদল্ল সল্লহ্লতা কণ্টক ভূষণা
বর্ধন মুরধ ধ্বজা কৃষ্ণা কাল রাত্রি ভয়ঙ্করী
দেবী দুর্গার সপ্তম রুপ কাল রাত্রি । কাল রাত্রির গায়ের রঙ অন্ধকারের মত কালো ,মাথার চুল এলোমেলো , গলায় বিদ্যুতের মালা । দেবী ত্রি নয়না । নাসিকার শ্বাস প্রশ্বাসে ভয়ংকর অগ্নি শিখা নির্গত হয় । মায়ের বাহন গদ্রভ । এক হাতে অভয় মুদ্রা অন্যহাতে লোহার কাঁটা । মা কাল রাত্রির ভয়ানক হলেও সর্বদা ইনি শুভ ফল দান করেন ।ইনি গ্রহ বাধা দূর করেন । ভক্ত রা এর কৃপায় ভয় মুক্ত হয় ।
নব রাত্রি , মা কাত্যায়নী
চন্দ্র হাস্য উজ্জল করা শার্দূল বর বাহানা
কাত্যায়নী শুভং দদ্যাদেবী দানব ঘাতিনী ।
মাতা দুর্গার ষষ্ঠ রুপ হল মাতা কাত্যায়নী ।
দানব মহিসাসুর এর অত্যাচারে জগত যখন অতিষ্ঠ তখন ব্রন্মা ,বিষ্ণু , মহেশ্বর তাকে নিজ নিজ তেজের অংশ দিয়ে মহিষাসুর বধের জন্য এক দেবী সৃষ্টি করেন । আশ্বিনের শুক্লা চতুর্দশী তে জন্ম হয় দেবীর । মাতা কাত্যায়নী অমোঘ ফল দায়িনী । ভগবান কৃষ্ণ কে পতি রুপে জন্যে গোপী গন যমুনা তীরে দেবীর আরাধনা করে । দুর্গা পুজার ষষ্ঠ ্দিনে এই দেবীর পুজা হয় । ইনি অলৌকিক তেজ ও প্রভাবের অধিকারী । মায়ের শরণাগত হয়ে তার অর্চনা উচিত ।
নবরাত্রি। দেবী কুস্মন্দা
দধানা হস্ত পদ্মাভ্যাং কুস্মান্দা শুভ দাস্ততু মে ।
মা দুর্গার চতুর্থ রুপের কুস্মনডা স্বল্প হাস্য ব্রম্নদকে উৎপন্ন করার জন্য কুস্মনডা দেবী বলা হয় । যখন অন্ধকার ছিল , জগত সংসারে জীব জগতের কোন অস্তিত্ব সেই সময় এই দেবী তাঁর হাস্য দ্বারা মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেন। তিনি সূর্য লোকের ভিতরে বাস করেন । তিনি আদি শক্তি । দেবী অষ্ট ভুজা । তার সাতটি হাতে ক্মুন্দুল ধ্নুক বান পদ্ম ফুল অমৃত পূর্ণ কলস ,চক্র এবং গদা । নব রাত্রির চতুর্থ দিনে দেবীর পুজা হয় । এইদিন অচঞ্চল ও পবিত্র মনে ভক্তি সহকারে দেবীর আরাধনা করলে সাধক রোগ শোক দূরীভূত হয়ে যশ আয়ু বল বৃদ্ধি হয় ।ভক্তি সহকারে দেবীর আরাধনা করলে সুখ সমৃদ্ধি উন্নতি শিখরে পৌঁছে দেয় দেবী ।
নব রাত্রি ,চন্দ্র ঘণ্টা
পিণ্ড জ প্রবরারুরা চণ্ড কোপাস্ত্রকৈ জুরতা
প্রসাদং ত্নুতে মহ্যং চন্দ্র ঘণ্টেতি বিশ্রুতা
মা দুর্গার তৃতীয় রুপ চন্দ্র ঘণ্টা । নব রাত্রির তৃতীয় দিনে মা চন্দ্র ঘণ্টার পুজা করা হয় ।একে শান্তি ও কল্যাণের দেবী বলা হয় । দেবির গায়ের রং সোনার মত । ইনি দশ ভুজা ,দশ হাতে নানা বিধ অস্ত্র আর মাথায় অর্ধ চন্দ্র বর্তমান ।দেবীর বাহন সিংহ । এই দেবীর কৃপা অলৌকিক বস্তু ও দিব্য সুগন্ধি অনুভব করা যায় । সাধক দিব্য ধ্বনি শুনতে পান । সাধক সিংহ এর মত নির্ভীক হয় । এই দেবী কে স্মরণ করলে যে কোন বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়া যায় । দেবীর উপাসনায় এক অলৌকিক শক্তি পান সাধক ।
আমাদের সমস্ত সাংসারিক কষ্ট থেকে মুক্তি পেতে এই দেবীর শরণাগত হওয়া উচিত । শুদ্ধ মন পবিত্র দেহে পুজা আরাধনা নিমগ্ন থাকা উচিত । তাকে স্মরণ আমাদের কষ্ট থেকে মুক্তি পেতে পারি ।
নব রাত্রি , দেবী ব্রন্মভচারিনি
দ ধ্যানা কর পদ্মাভ্যা মখমালা কম নডলু
দেবী প্রসীদ তু ময়ই ব্রন্মভচারিন্যনুত্তমা
মা দুর্গার দ্বিতীয় রুপ ব্রন্মভ্চারিনি । ব্রন্মভ মানে তপস্যা । বেদ তত্ত্ব এবং তপ হল ব্রন্মভ । দেবী রুপে অতি মহিমামনদিত । ডান হাতে জপের মালা এবং বাম হাতে কমন্দুল ধারন করে আছেন । পূর্ব জন্মে যখন হিমালয়ের কন্যা ছিলেন তখন ভগবান শঙ্কর কে পতি রুপে পাওয়ার জন্য তপস্যা শুরু করেন নারদের পরামর্শ অনুসারে । তিনি সহস্র বছর ধরে ফল মুল খেয়ে জীবন ধারন করেন । এর পর শত বছর শাকাহার করে জীবন নির্বাহ করেন । খোলা আকাশের নিচে বর্ষা ,গ্রীষ্ম ,শীতে তপস্যা করতে থাকেন । কঠিন উপবাস শুরু করেন । এর পর তিন হাজার বছর মাটিতে পড়ে থাকা বেল পাতা খেয়ে ভগবান শিবের উপাসনা করেন । এর পর তাও ত্যাগ করেন । পাতা খাওয়া ত্যাগ করেছিলেন বলে তার নাম অপর্ণা ।
কয়েক শো বছর তপস্যা করে দেবীর শরীর একদম ক্ষীণ ও রোগা হয়ে গেল । এই দশা দেখে তাঁর মা তাঁকে তপস্যা থেকে বিরত করতে চাইলেন । উমা আর না মা ।
এই তপস্যা তে ত্রিলোকে হাহাকার পড়ে যায় । দেবতা , মুঞি, ঋষি সকলেই দেবীর প্রশংসা করছে । তোমার মন কামনা পূর্ণ হবে । ভগবান শিব কে স্বামী রুপে পাবে । তুমি তপস্যা ছেরে দাও ঘরে ফিরে যাও । তোমার পিতা তোমাকে নিতে আসবেন । দুর্গা এই রুপ ভক্ত দের পক্ষে অত্যন্ত ফলদায়ক । তার উপাসনা করলে তপ ,ত্যাগী , বৈরাগ্য সংযমী ভাব আসে । জীবনে কঠিন সময় হলেও মন এতে বিচলিত হয়না । তার কৃপাতে যে কোন কাজে জয়ী হয় । এই দেবী র সাধনা যোগী ও পুজারিরা তার কৃপা ও ভক্তি লাভ করে ।
নব রাত্রি , মাতা শৈল পুত্রী
বন্দে বাঞ্ছিতলাভায় চন্দ্রারধক্রিত শেখরাম
বৃষারুরং শুলধরাং শৈল পুত্রীং যশস্বিনিম
মা দুর্গার প্রথম রুপ হল শৈল পুত্রী । পর্বত রাজ হিমালয়ের কন্যা রুপে জন্ম নেন । বৃষ ভ বাহন , মায়ের ডান হাতে ত্রিশূল বাম হাতে কমল পুস্প শোভা পাচ্ছে । পূর্ব জন্মে ইনি প্রজাপতি দক্ষের কন্যা ছিলেন তখন তার নাম সতী ছিল । ভগবান শঙ্করের সাথে সতীর বিবাহ হয় । একবার প্রজাপতি দক্ষ বিরাট যজ্ঞ করেন । এই যজ্ঞে সতী কে নিমন্ত্রণ করা হয় নি । সতী পিতৃ গৃহে যাবার জন্য অস্থির হল কিন্তু ভগবান শঙ্কর সাবধান করলেন যে কোন কারনে তিনি উমার উপর রেগে আছেন । কিন্তু সতীর মন মানল না তখন শঙ্কর জী অনুমতি দিলেন যাবার জন্য । কিন্তু পিতৃ গৃহে গিয়ে পৌঁছে দেখলেন কেউ তাকে সেরকম স্নেহ ভরে কাছে ডাকছে না । একমাত্র মা জড়িয়ে ধরলেন । স্বয়ং দক্ষ তাকে নানা খারাপ কথা বললেন । তখন রাগে দুঃখে যজ্ঞাগ্নি র সাহায্যে নিজে কে ভস্মীভূত করলেন ।
এই সংবাদ শুনে শঙ্কর জী তার অনুগামী দক্ষের যজ্ঞ ধ্বংস করলেন ।
পর জন্মে তিনিই শৈলরাজ হিমালয়ের কন্যা রুপে জন্ম নিলেন । এই জন্মে তিনি শঙ্কর জী অর্ধাঙ্গিনী রুপে ছিলেন । এই দেবী শক্তির প্রতীক । নব রাত্রির প্রথম দিনে মা শৈল পুত্রীর পুজা হয় ।
Subscribe to:
Comments (Atom)






































